তথ্য অধিকার আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ ,তথ্যকে শক্তি হিসেবে অভিহিত করে এক সভায় বক্তারা বলেছেন, তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সকল সরকারি সেবাসমূহকে স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ করার পাশাপাশি জনসাধারণের ক্ষমতায়নের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা বলেন, সমাজের সর্বত্র উন্নয়ন ত্বরান্বিত এবং সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।

তথ্য অধিকার আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ বক্তাদের
শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২২ উপলক্ষে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব মন্তব্য করেন। জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরুল্লাহ।অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক রশিদুল হাসান, পুলিশ সুপার মাসুদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য
দেন।প্রধান অতিথি বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত আস্থাশীল এবং তথ্য অধিকার আইনের সফল বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি প্রচেষ্টা সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আইনটি সরকারি বা বেসরকারি সংস্থার দ্বারা কার্যকর না হয়, ততক্ষণ এর যথার্থতা, দুর্বলতা, সীমাবদ্ধতা এবং উপযুক্ততা নির্ণয় করা যাবে না।জাফরুল্লাহ বলেন, ‘সমাজে সুশাসন

প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি পরিষেবার সকল স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির স্বার্থে আরটিআই আইনের প্রয়োগ অপরিহার্য হয়েউঠেছে।’তৃণমূলে সকল উন্নয়ন কাজের তথ্য কার্যকরভাবে প্রকাশ করলে সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত এবং দুর্নীতি দমন করা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।আরএমপি কমিশনার কালাম সিদ্দিক বলেন, তথ্য প্রদানকারী সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার মনোনীত কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়।২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকারি প্রচেষ্টায় সহায়তা করার সর্বোত্তম উপায় হিসেবে আরটিআই আইনের সফল বাস্তবায়ন জরুরী।

আরোও পড়ুনঃ
